মাহমুদুল হাবিব রিপনঃ গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ২নং হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের শ্রী শ্রী কালী মন্দির ও রাধা গোবিন্দ মন্দির প্রাঙ্গণে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে চলছে নানা প্রস্তুতি। এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে সমাজসেবক শ্রী হরিদাস বাবু মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

তিনি জানান, দুর্গাপূজা শুধু আনন্দ-উৎসব নয়, এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজন। এ উৎসবে একে অপরের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করা উচিত। আমাদের যদি এক হাজার টাকা থাকে, তবে অন্তত একশ টাকা অন্যের দুঃখ-কষ্টে ব্যয় করা উচিত। আমাদের সমাজে অনেক গরীব সনাতনী আছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানোই মানবতার আসল শিক্ষা।
আরও পড়ুন: বিএনপির মেয়াদ উত্তীর্ণ জেলা কমিটি বাতিলের দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন
হরিদাস বাবুর উদ্যোগে এ বছর প্রায় দুই হাজার সনাতনী পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে একটি কাপড়, একটি ধুতি, ১০ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি আটা, ১ কেজি তেল ও ১ কেজি চিনি দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, মানুষকে ভালোবাসতে টাকার প্রয়োজন হয় না, দরকার আন্তরিক মন-মানসিকতা। অনেক টাকা হয়তো আমার হাতে নেই, তবে অন্যের খারাপ সময়ে পাশে থাকার মানসিকতা আমার আছে।
তার দাবি, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩৮ হাজার দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। যদি প্রতিটি মন্দিরের পূজা কমিটি মাত্র ১০ জন অসহায় সনাতনীর দায়িত্ব নেয়, তবে হাজার হাজার পরিবার উপকৃত হবে।
স্থানীয়দের উদ্দেশে তার আহ্বান, যার হাতে ১০০ টাকা আছে, সে যদি অন্তত ৫ টাকা একজন গরীব সনাতনীর জন্য ব্যয় করে, তবে শারদীয় দুর্গাপূজা সত্যিকার অর্থেই সফল ও অর্থবহ হয়ে উঠবে।
আরও পড়ুন: গোবিন্দগঞ্জে স্কুল ও খেলার মাঠ দখলের প্রতিবাদে সাঁওতালদের বিক্ষোভ সমাবেশ
