এ জেড সুজন, নাটোর প্রতিনিধি:
লালপুর উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারি ও মিসকেস সংক্রান্ত সেবা পেতে ঘুষ দাবির একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কেবল সতর্ক করেই দায়িত্ব শেষ করেছে কর্তৃপক্ষ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবীর হোসেন ১৪ জানুয়ারি সেবাগ্রহীতার মিসকেসের শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন। পরে সেবাগ্রহীতার বাড়িতে উপজেলা ভূমি অফিসের চেইনম্যান দিজেন্দ্রনাথ প্রামাণিক মিসকেসের শুনানির কাগজ দিতে গিয়ে ইউনুস আলীর কাছে ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। ৫০০ টাকা না দিয়ে ১০০ টাকা দিতে দিজেন্দ্রনাথ এসিল্যান্ড অফিসের কাজ কিভাবে হয় সেটা দেখে নেওয়ার হুমকি দেন
পরদিন বুধবার ইউনুস আলী পুনরায় সহকারী কমিশনার ভূমির কার্যালয়ে গেলে অভিযুক্ত চেইনম্যান আবারও তার কাছে ঘুষের টাকা দাবি করেন।
ধরা পড়ে ঘুষ নয়, ৫০০ টাকা ধার চেয়েছিলেন বলে দাবি করেন অভিযুক্ত চেইনম্যান দিজেন্দ্রনাথ।
আরও পড়ুন: নাশকতার মামলায় গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসিফ সরকার গ্রেফতার
বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবীর হোসেন।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরেই দালাল ও কিছু কর্মচারীর দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও শুধু সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল।
